Friday, April 17, 2026
HomeUncategorizedফের চালু ‘জনতার দরবার’? সরাসরি অভিযোগ জানান মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে। কোথায়, কিভাবে পাবেন...

ফের চালু ‘জনতার দরবার’? সরাসরি অভিযোগ জানান মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে। কোথায়, কিভাবে পাবেন এই সুযোগ ? আদৌ কতটা উপকৃত হবে সাধারণ মানুষ? জেনে নিন আজকের প্রতিবেদনে

নির্বাচনে ভাল ফল করার ক্ষেত্রে জনসংযোগেই আস্থা রাখছে শাসকদল তৃণমূল। একদিকে ‘তৃণমূলে নবজোয়ার’ কর্মসূচি চলছে। অন্যদিকে দিদিকে বলো, দিদির দূতের মতো ক্যাম্পেনিং-ও চলছে রমরমিয়ে। এবার দিদির পাড়ায় জনতার দরবার। যেখানে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নিজেদের অভাব-অভিযোগ জানানোর সুযোগ পাবেন রাজ্যবাসী।

আমজনতার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে চাইছে শাসকদল। নির্বাচনকে সামনে রেখে জনসংযোগের স্ট্র্যাটেজিকেই অস্ত্র করে এগোচ্ছে শাসকদল। ‘দিদিকে বলো’ ক্যাম্পেনিংয়ের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানোর সুযোগ পেয়েছেন রাজ্যবাসী। এরই মধ্যে ‘দিদির দূত’ পরিষেবায় আমজনতার ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা। তারপর ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ তো রয়েইছে। আমজনতার সমস্যার সমাধান করতেই এই কর্মসূচির আয়োজন করেছে মমতা ব্রিগেড। এবার জনসংযোগের সেই ধারা অব্যাহত রেখে মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায় শুরু হল ‘জনতার দরবার’ ক্যাম্পেইন। রবিবার থেকেই চালু হল এই কর্মসূচি।

এবার থেকে প্রতি রবিবার জনতার দরবার ক্যাম্পেইনে উপস্থিত থাকবে এই কর্মসূচির টিম। কালীঘাটে হবে এই ক্যাম্পেইন। প্রতি রবিবার সকাল ১ টা থেকে শুরু হবে জনতার দরবার। দুপুর ১ টা পর্যন্ত এই ক্যাম্পেইনে সাধারণ মানুষ তাদের অভাব অভিযোগের কথা জানাতে পারবেন। কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনেই হবে এই ক্যাম্পেইন।

জনসংযোগ কর্মসূচির এই উদ্যোগে দায়িত্বে থাকবেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী। গত রবিবার যদিও তিনি ছাড়াও এই ক্যাম্পেইনে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ শান্তনু সেন, বিধায়ক নির্মল মাজি, কাউন্সিলার কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়-রা। প্রশাসনের তরফে দাবি করা হয়েছে, জনতার দরবারে দলমতনির্বিশেষে নিজেদের সমস্যার কথা যেমন রাজ্যবাসী জানাতে পারবেন, তেমনই সেই সমস্যা মেটানোর ক্ষেত্রেও শীঘ্র ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে নিজেদের সমস্যা জানানোর পাশাপাশি কেউ চাইলে চিঠিও জমা দিতে পারেন জনতার দরবারে। সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করার এই উদ্যোগ আগেও নিয়েছিল রাজ্যের শাসকদল। তাই এটিকে তৃণমূলের নতুন কোনও কর্মসূচি বলা যাবে না। আগেও নিয়ম করে প্রতি রবিবার মুখ্যমন্ত্রীর শরণাপন্ন হওয়ার সুযোগ পেতেন রাজ্যবাসী। তখনও সেখানে উপস্থিত থাকতেন সুব্রত বক্সী। তার সঙ্গে অবশ্য আরও নেতামন্ত্রীরা থাকতেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হবার পর থেকেই চালু হয়েছে এই কর্মসূচি। তবে করোনা পর্বে তা বন্ধ রাখা হয়েছিল। এই রবিবার সেই ক্যাম্পেইনই চালু হল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Recent Comments