তাঁর নাম আজ ও লোকমুখে বেশ প্রচলিত। মূলত তাঁর গাওয়া গানের মাধ্যমেই তিনি সকলের কাছে পরিচিতি লাভ করেছেন। তবে সেগুলি সুর বসানো মধুর কন্ঠে গাওয়া কোন গান নয়। বরং বেসুরো কন্ঠে গাওয়া এক একটি গান।আর এই গানের জন্য তিনি লোকমুখে বেশ আলোচিত ও সমালোচিত। এতক্ষণে হয়তো বুঝতে পেরেছেন কার কথা বলা হচ্ছে।
তিনি হলেন আশরাফুল আলম সাঈদ যিনি সকলের কাছে হিরো আলম নামে পরিচিত। ইনি হলেন একজন বাংলাদেশী সঙ্গীত ভিডিও মডেল, অভিনেতা, গায়ক এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচিত ব্যক্তি। তিনি একজন স্বাধীন শিল্পী হিসাবেও কাজ করে থাকেন। তাকে নিয়ে অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন রকম মিম বানিয়ে থাকেন।
শুধু তাই নয়, তাঁর কথাবার্তা, আচার-আচরণ ও চালচলন নিয়ে বারবার হাসির খোরাক হয়েছেন লোকসমাজে। তাই তিনি ঠিক করেছেন এবার নিজেকে এমনভাবে তৈরি করবেন যাতে অন্য কেউ আর তাকে নিয়ে হাসিঠাট্টা করতে না পারেন। কি করবেন তিনি? দেখুন। নিজেকে নতুন করে তুলে ধরতে শুরু করলেন পড়াশোনা। কিন্তু কেন?
হিরো আলমের বক্তব্য, “আমার বাড়ি উত্তরাঞ্চলের বগুড়া জেলায়। তাই ভাষায় আঞ্চলিকতার টান চলেই আসে। সেটা পালটানোর পরামর্শ দিয়েছেন অনেকে। তাছাড়া আমার উচ্চারণে সমস্যা আছে, সবাই বলে হিরো আলম সবকিছু পরিবর্তন করতে পারে। এটাও পারবে। সে জন্য নিজেকে আমি পালটানোর করার চেষ্টা করছি। দেখি কতদূর পারি। আমার কথা নিয়ে যেহেতু মানুষের সমস্যা, তাই সেটাই আগে ঠিক করব।”
এছাড়াও তিনি বলেন তাকে নাকি অনেকেই পড়াশুনা শিখে সুশিক্ষিত হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। আর তাদের এই পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে অফিসে তিনি শিক্ষক ও রেখেছেন। যদিও যে শিক্ষকের কাছে হিরো আলম পড়াশোনা শিখছেন তাঁর পরিচয় এখনই তিনি দিতে চান না।
তার কথায়, “শিক্ষকের পরিচয় এখন দিতে চাই না। সময় এলে আমি বলে দেব।” এর পাশাপাশি অনেকে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু সেটি যে এখন তাঁর পক্ষে সম্ভব না এও তিনি জানিয়েছেন কারণ তিনি এখন এদিকে ওদিকে নানান কাজে ব্যস্ত থাকেন এছাড়া পরিবার চালানোর জন্য তাকেই আয় করতে হয় তাই এটি কোনোভাবেই সম্ভবপর নয়।
হিরো আলম বলেন, “আমি বিশ্বাস করি আমার কিছু দুর্বলতা আছে। সেগুলো পরিবর্তন করলে আর কোনও সমস্যা হবে না। আমাকে নিয়ে কেউ আর কথা বলতে পারবে না। লেখাপড়ার দিকে মনোযোগ দিয়েছি।”
