কোন এক রাজনৈতিক নেতাকে স্বস্তি দিতেই নাকি তার এমন পোস্ট তিনি আরো বলেন রাজনীতি ছাড়তে পারি যদি মানা হয় এই শর্তগুলো কোন শর্তে রাজনীতি ছাড়বেন অভিষেক?
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে স্বস্তি দিতে রাজনীতির ময়দানই ছেড়ে দেবেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়? কেন বললেন এই কথা?
শুক্রবার এই রাজ্যে এসেছেন অমিত শাহ। বীরভূমে ছিল জনসভা। আর সেই সভায় যা তিনি বললেন, তাতে অভিষেকের মনে হয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন তিনি। নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কী বললেন অমিত শাহ?
বীরভূমে শুক্রবারের অমিত শাহের ভাষণে শোনা গেছে ভাইপোর কথা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এদিন নাম না নিলেও এই ভাইপো আসলে কে, তা বুঝতে বাকি নেই রাজ্যবাসীর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই এদিন নিশানা করেছেন শাহ। এদিন অমিত শাহ বলেন, বাংলায় পরিবারতন্ত্র চলছে। একই সুর শোনা গেছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বয়ানেও।
তবে এখানেই থেমে থাকেননি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। নাম না করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেছেন তিনি। বাংলার দুর্নীতি বন্ধ করে ছাড়ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বাংলার যুবকদের চাকরি দেওয়ার নামে দুর্নীতির প্রসঙ্গও তুলতে ছাড়েননি অমিত শাহ। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এদিন সাফ জানান যে, তিনি কোনওদিন মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাইলেও অভিষেক মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না বলেই মত অমিত শাহের।
তবে এদিনের মন্তব্যের জবাব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দিয়েছেন অভিষেক। টুইটারে অভিষেক যা লিখেছেন, তাতে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, তাঁর অস্তিত্বে যন্ত্রণা হচ্ছে অমিত শাহের। এরপরই রাজনীতি ছাড়ার প্রসঙ্গ তোলেন তৃণমূল সাংসদ। রাজনৈতিক মঞ্চ তিনি ছাড়বেন একটি মাত্র শর্তে। আর সেই শর্ত সরাসরি কেন্দ্রের উদ্দেশেই জানিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার অধিকারের ১ লক্ষ ১৫ হাজার কোটি টাকার প্রাপ্য অর্থ মিটিয়ে দিন। তাহলে তিনি সব ধরনের রাজনীতি থেকে সরে যাবেন বলেই মন্তব্য করেছেন অভিষেক।
এছাড়াও বিজেপি এই রাজ্যের ক্ষতি করেছে বলেও জানান তৃণমূল সাংসদ। আর সে বিষয়ে একটি কথাও অমিত শাহ বলেননি বলে আক্ষেপও করেছেন তিনি।
