Saturday, April 18, 2026
Homeখবরএবার পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ খোদ রাজ্য নির্বাচন কমিশন? কোন...

এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ খোদ রাজ্য নির্বাচন কমিশন? কোন অধিকারে আড়ি পাতছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন? এবার হাইকোর্টে নির্বাচন কমিশন

পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হয়ে আইনের দ্বারস্থ হয়েছিল বিরোধী দলগুলি। এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ খোদ রাজ্য নির্বাচন কমিশন? কোন অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টে গেল কমিশন?

মনোনয়ন পর্বে নির্বাচনী সন্ত্রাসের অভিযোগ ইতিমধ্যেই উঠেছে রাজ্যে। এই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তাদের ওপর কেন নজরদারি চালানো হচ্ছে? তাও আদালতের কাছে জানতে চেয়েছে কমিশন। তবে এসব কিছুর সূত্রপাত হয়েছে রবিবার। এদিন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন জানায় যে, তারা পর্যবেক্ষক নিয়োগ করতে চলেছে। আর রাজ্যের নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করে কাজ করবেন মানবাধিকার কমিশনের ডিজি। মূলত পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চায় তারা, এই উদ্দেশ্যেই পর্যবেক্ষক নিয়োগের কথা জানানো হয়েছে। আর তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছে রাজ্য কমিশন।

পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে মামলায় বিরোধীরা পঞ্চায়েত ভোটে নজরদারির দাবি করেছিল। এই কাজে কোনও বিশেষ পর্যবেক্ষক বা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কিংবা কোনও বিশেষ আধিকারিক নিয়োগের দাবি আদালতে জানিয়েছিল তারা। এই পর্যবেক্ষকের নজরদারিতেই নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আবেদন ছিল বিরোধীদের তরফে। যদিও বিরোধীদের সেই আবেদনে সাড়া দেয়নি আদালত। কারণ হিসেবে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, ভোটের জন্য পর্যবেক্ষক এমনিতেই নিয়োগ করে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। পর্যবেক্ষক হিসেবে ডব্লিউবিসিএস এবং আইএএস কর্তাদের যখন নিয়োগ করা হয়, তাহলে আলাদা করে পর্যবেক্ষকের দরকার নেই বলে মত আদালতের।

এরই মধ্যে রবিবার মানবাধিকার কমিশন ঘোষণা করে পর্যবেক্ষক নিয়োগের বিষয়ে। কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই তারা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখবে বলে জানায়। এছাড়াও পঞ্চায়েত ভোটকে কেন্দ্র করে যেখানে যেখানে অশান্তি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, সেই এলাকাগুলি চিহ্নিত করবেন মানবাধিকার কমিশনের ডিজি। এই ঘোষণার পরই জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কি আদৌ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের উপর নজরদারি করতে পারে? কেন এই ধরনের পদক্ষেপের মাধ্যমে অতিসক্রিয়তা দেখাচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন? এই মর্মেই হাই কোর্টে গেল নির্বাচন কমিশন। তাদের তরফে সাফ জানানো হয়েছে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন যেমন একটি স্বাধীন সংস্থা, তেমনই রাজ্য নির্বাচন কমিশনও একটি স্বাধীন সংস্থা। কোনও স্বাধীন সংস্থার কাজের ওপর অন্য কোনও স্বাধীন সংস্থা কীভাবে নজরদারি করতে পারে? নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিক্ষিপ্তভাবে এমনিতেই রাজ্য উত্তাল। এরই মধ্যে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের এক্তিয়ার নিয়ে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Recent Comments