সে আসছে আসছে করে রব উঠেছে অনেক দিন আগেই। এপথ সেপথ করে অবশেষে তার আসার পথ নির্ধারণ হল। বাংলার মানুষ স্বস্তি পেলেও বাংলাদেশের মানুষের কপালে পড়ল ভাঁজ। কারণ সে যে এখন রূপ নিয়েছে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের। হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’-র কথাই এখানে বলা হচ্ছে।
আজ দুপুরেই সে আছড়ে পড়তে চলেছে বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের মাঝামাঝি এলাকায়। সে সেখানে কি রূপ নেবে? কতটা ক্ষয়ক্ষতি করবে?তা এখনই বলা যাচ্ছে না। কিন্তু সেখানে ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ হতে পারে ২১০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।
আপাতত তার অবস্থান পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে। তা ক্রমশ উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে ঘণ্টায় ১৮ কিলোমিটার বেগে অগ্রসর হচ্ছে। আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, দুপুরেই তা স্থলভাগে আছড়ে পড়বে। আছড়ে পড়ার অবস্থান হবে দক্ষিণপূর্ব বাংলাদেশ এবং উত্তর মায়ানমার উপকূল, বাংলাদেশের কক্সবাজার এবং মায়ানমারের কিয়াকফিউয়ের মাঝামাঝি।
সেই সময় ঝড়ের গতিবেগ থাকবে ১৮০ থেকে ১৯০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। বাংলার আকাশে ‘মোকা’-র প্রভাব হালকা ভাবে হলেও পড়বে। রবিবার কলকাতা এবং দুই ২৪ পরগনার আকাশ থাকতে পারে মেঘলা।
পূর্ব মেদিনীপুরেও আকাশ মেঘলা থাকবে। তবে হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, কোথাও সেরকম ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ জুড়ে। রবিবার ১৪ মে, আন্দামান, নিকোবর উপকূলের মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।
হাওয়া অফিস সূত্রের খবর অনুযায়ী, আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে হাওয়ার গতি থাকতে পারে ৪৫ থেকে ৫৫ কিলোমিটার। ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ হতে পারে ৬৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। এর ফলে রবিবার আন্দামান সাগরে জলোচ্ছ্বাসের পরিস্থিতি তৈরি হবে।
