Friday, April 17, 2026
Homeরাজনীতিপঞ্চায়েত নির্বাচন শেষ হলে এরপর রয়েছে রাজ্য সভা নির্বাচন। আর তা নিয়েই...

পঞ্চায়েত নির্বাচন শেষ হলে এরপর রয়েছে রাজ্য সভা নির্বাচন। আর তা নিয়েই বাংলার বিজেপি নেতৃত্বের নজরে রয়েছেন ৫ জন। কিন্তু শেষমেশ কাকে দেখা যাবে সামনের সারিতে? এই নিয়েই শুরু তর্জা।

বাংলার মোট সাতটি আসনে হবে ভোট। তার মধ্যে একটি রয়েছে উপনির্বাচন। বাকি ছ’টিতে এগিয়ে তৃণমূল। তবে একটি আসন গেরুয়া শিবিরের পক্ষেই যাবে। কিন্তু কার ভগ্যে শিকে ছিঁড়বে?যদিও শেষ সিদ্ধান্ত নেবেন নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ।

রাজ্যসভাকে লক্ষ্য রেখে ঘুঁটি সাজাচ্ছে বিজেপি। এমন একজনকে খোঁজা চলছে, যিনি লম্বা রেসের ঘোড়া। যার মধ্যে ভবিষ্যতের নেতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি লাভ পেতে গেলে বিজেপি-কে তেমনই একজনকে খুঁজতে হবে। রাজ্যসভার নিরবাচনের ক্ষেত্রে এ বার বাংলা থেকে এক জন প্রার্থীকে জেতাতে ৪২টি ভোট দরকার। এদিকে পরিসংখ্যান বলছে, বিধানসভায় বিজেপির শক্তি ছিল ৭৫। কিন্তু তাদের মধ্যে ছ’জন তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন এর মধ্যে। অবশ্য মুকুল রায়কে বিজেপির বলে ধরলে গেরুয়ার বিধায়কের সংখ্যা ৭০। এই বিধায়ক সংখ্যার সুবাদে একটি আসনে বিজেপির জয় নিশ্চিত। বিজেপির আদি দল ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিনিধি হিসাবে পশ্চিমবঙ্গ থেকে ১৯৫২ সালে রাজ্যসভায় গিয়েছিলেন দেবপ্রসাদ ঘোষ। সে হিসাবে ৭১ বছর পরে এই রাজ্য থেকে গেরুয়া শিবিরের কোনও প্রতিনিধি নির্বাচনে জিতে রাজ্যসভায় যাবেন।

বিধানসভায় এই মুহূর্তে মুকুলকে নিয়ে সব মিলিয়ে শাসক দলের বিধায়ক রয়েছেন ২২২ জন। দিকে রাজ্যসভায় প্রার্থীপ্রতি ৪২টি ভোট ধরে পাঁচ জনকে জেতাতে ২১০টি ভোট প্রয়োজন। এদিক থেকে এগিয়ে রয়েছে ঘাসফুল শিবির। কিন্তু প্রশ্ন হল বিজেপির কোন নেতার নাম উঠে আসবে শীর্ষে। যদিও এই নিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য করা হবে, বঙ্গ গেরুয়া শিবিরের কথায়, রাজ্য বিজেপির মতামত জানতে চাওয়া হলেও মূল সিদ্ধান্ত নেবেন নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাজ্যের কাছে ৫টি নাম চেয়েছেন। তবে বঙ্গ গেরুয়া শিবির চাইছে, রাজনীতির ময়দানের কাউকেই এই তালিকায় রাখতে। তবে কমবয়সি নেতাদের নাম উঠে আসছে রাজ্য নেতৃত্বের তরফে।

যদি অন্যান্যবারের মতো এবারও মিঠুন চক্রবর্তীর নাম উঠে এসেছে রাজ্যসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে। ঘাসফুল শিবিরের তরফে মিঠুন আগে রাজ্যভায় ছিলেন। এক্ষেত্রে রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত, প্রাক্তন রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদী, বোলপুর আসনের প্রার্থী অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়ও রয়েছেন এই দৌড়ে। তবে এর মধ্যে মিঠুন চক্রবর্তী, অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম বাদের তালিকায় থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে। অবাঙালি কাউকে রাজ্যসভার সদস্য হওয়ার আসনে বসাতে চাওয়ায় এই প্রসঙ্গে অমিত মালব্যের নামও উঠে এসেছ। অন্যদিকে মোদি, শাহকে নিয়ে বই লিখে ইতিমধ্যেই জনপ্রিয়তা পেয়েছেন অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি অবশ্য থাকেন দিল্লিতে। বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের পর সাংগঠনিক দায়িত্ব সামলানোর তার ভূমিকানিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এতকিছুর মধ্যে রাজ্য বিজেপির তালিকায় কোনও আরএসএস কর্তার নামও থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Recent Comments