Friday, April 17, 2026
Homeখবরভীন গ্রহের প্রাণীরা ঘাটি গেড়ে বসেছে সৌর জগতে!

ভীন গ্রহের প্রাণীরা ঘাটি গেড়ে বসেছে সৌর জগতে!

একটি বড়ো মহাকাশযান ঘোরাঘুরি করছে আকাশে আর সেটি থেকে ছোট ছোট মহাকাশযান পাঠিয়ে নজদারী করছে পৃথিবীর উপর! এমনটাই দাবি করলেন হারভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক, তাঁর সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে। তবে কি পশ্চিমা ভবিষ্যৎ বক্তাদের ভবিষ্যৎবাণী মিলে যাবে? ২০২৩ সালে কি এলিয়েনরা আক্রমণ করবে পৃথিবীর উপর ? দেখুন বিস্তারিত। মহাশুন্যের যে ছায়াপথে পৃথিবীর অবস্থানা তাতে মোট কটি তারা আছে জানেন? বৈজ্ঞানিকদের মতে প্রায় এক হাজার কোটি। আর প্রায় দু হাজার কোটি এমন ছায়াপথ নিয়ে একটি মহাশূন্য গঠীত বলে মনে করেন বৈজ্ঞানিকেরা। তাদের মতে এই পৃথিবীতে যতগুলি বালির কনা আছে মহাশূন্যে ততগুলি গ্রহ নক্ষত্র আছে। এবার ভেবে দেখুন এদের সম্পর্কে কতটাই বা গবেষণা করে জেনে বুঝে নেওয়া সম্ভব! তবু মানুষের চৈতন্য যতদূর যায় বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ততদূর পৌঁছে গিয়ে যুক্তিপূর্ন তথ্য সন্ধানের প্রয়াস চালিয়ে যায় নিরলসভাবে। এই মানবজাতির তৈরী একাধিক কৃত্রিম উপগ্র মহাকাশে ভেসে বেড়িয়ে মহাকাশ থেকে নানান তথ্য পৃথিবীতে পাঠায়। মহাজাগতিক নানা ঘটনা, উল্কা পিন্ডের গতি প্রকৃতি, ধূমকেতুর আশা যাওয়া, কোনো গ্রহের কখ্যপথ পরিবর্তন, এসবের খবর রাখে পৃথিবীর বৈজ্ঞানিকেরা মানব জাতির স্বার্থে। এসবের মধ্যেও মহাকাশে এমন কিছু ঘটনা ঘটে বা এমন কিছু নজরে আসে যা মানুষের অচেনা, অজানা। বৈজ্ঞানিকেরা এগুলিকে UFO বা ‘অচেনা উড়ন্ত বস্তু’ নাম দিয়ে থাকেন। এবং পরবর্তীকালে এগুলি সম্পর্কে বিস্তারিত গবেষণা চালিয়ে যান। এই শতাব্দীতে NASA, এবং বিশ্বের বৈজ্ঞানিকেরা এই UFO নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বিস্তর। আজকের আলোচ্য UFO টি নিয়ে তথ্য দিয়েছেন ইস্রায়েল বংশোদ্ভূত আমেরিকার অধিবাসী বিখ্যাত মহাকাশবিদ এবং পদার্থ বৈজ্ঞানিক ‘আভি লোয়েব’ এবং তাকে এবিষয়ে সহযোগিতা করেছেন আমেরিকার প্রতিরক্ষ্যা বিভাগের উর্ধতন অফিসার ‘ডক্টর শন এম কির্কপ্যাট্রিক’। তাদের গবেষণাপত্রটি সদ্য প্রকাশিত এবং এখনও তার পিয়ার রিভিউ বা অন্যান্য বৈজ্ঞানিকদের দ্বারা রিভিউ করা বাকি আছে । তবে তাদের সন্ধানকৃত তথ্য যদি সত্য হয়, ভীন ছায়াপথের একটি সুদূর গ্রহের কোনো অদ্ভুত প্রাণী তাদের বিরাট এক মহাকাশযান যদি সূর্যের কখ্যপথে ভিড়িয়েই থাকে, এবং সেখান থেকে ছোট ছোট জাহাজ ছেড়ে যদি পৃথিবী সহ অন্যান গ্রহের প্রতি নজরদারি চালিয়েই থাকে তবে তা কি আমাদের জন্য কোনো দুশ্চিন্তার বিষয়? নাকি আমরা তাদের সাথে ভাব বিনিময়ের মাধ্যমে সন্ধান পেয়ে যেতে পারি এক বিরাট অজানা জগতের
? পৌঁছে যেতে পারি উন্নতির পরমতম শিখরে! সেটাই এখন দেখার এবং ভাবার বিষয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Recent Comments