Thursday, January 15, 2026
Homeখবর১০০ বছরের ইতিহাসে শুষ্কতম আগস্ট মাস ৩ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতি ক্ষতির...

১০০ বছরের ইতিহাসে শুষ্কতম আগস্ট মাস ৩ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতি ক্ষতির মুখে? ভারতের সামনে বড় সঙ্কট!

গ্লোবাল ওয়ার্মিং? নাকি অন্য কিছু? কারণ যাইহোক না কেন, প্রকৃতির খামখেয়ালি রূপ যে গত কয়েকবছর ধরেই বিশ্ববাসী দেখছে, তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। আবহাওয়ারও তাল ঠিক নেই। দিনকে দিন গরম যেমন বাড়ছে, তেমনই পর্যাপ্ত বৃষ্টির দেখা নেই। আর এই রাজ্যের কথা বললে, বর্ষার জন্য চাতকের মতো বসে থেকেছেন রাজ্যবাসী। কিন্তু কোথায় বর্ষা? কোনও নিয়মের ধারাপাতই মানছে না। আর তার জেরে নাজেহাল অবস্থা মানুষের। কিন্তু শুধুই কি মানুষের অস্বস্তি এতে? নাকি আবহাওয়ার এই খামখেয়ালির প্রভাব পড়ছে অন্য সব ক্ষেত্রেও? সম্প্রতি যে রিপোর্ট উঠে এসেছে, তাতে মাথায় হাত দেশবাসীর। ১০০ বছরের ইতিহাসে চলতি আগস্ট মাস রেকর্ড করেছে শুষ্কতায়। আর তার জেরে কয়েক লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতি প্রশ্নচিহ্নের মুখে। এই বিপুল রাশির অর্থনীতির জন্য বর্ষার প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছে। নইলে বড়সড় সঙ্কটের মুখে পড়তে পারে গ্রীষ্মকালীন ফলন। আর এমনটা হলে তার প্রভাব যে কী ভয়াবহ হতে পারে, তা হয়তো আন্দাজ করতে পারছেন অনেকেই।

গত ১০০ বছরের রেকর্ড রয়েছে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ ১৯০১ সালের আগের কোনও রেকর্ড নেই। যেদিন থেকে রেকর্ড রাখা হয়েছে অর্থাৎ এক শতাব্দী, এই সময়ের মধ্যে চলতি বছরের আগস্ট মাসেই সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এখনও ১০ দিনের মতো বাকি রয়েছে চলতি মাসের। তাহলে কি এই বছর শতাব্দীর সবচেয়ে শুষ্ক অগাস্ট মাস হতে চলেছে ভারতে? সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে বৃষ্টি পর্যাপ্ত না হওয়ার বিষয়টি জানিয়েছে আবহাওয়া দফতরের দুই আধিকারিক। শুক্রবার এই তথ্য সামনে আসতেই রীতিমতো আশঙ্কায় ভারতবাসী।

আগস্টের এই শুষ্কতার জেরে গ্রীষ্মে বপন করা ফসলের ফলন বাধার মুখে পড়তে পারে। এর ফলে একদিকে যেমন খাদ্যের জোগানে সমস্যা তৈরি হবে৷ পাশাপাশি মূল্যবৃদ্ধিও হবে আকাশছোঁয়া। সংবাদসূত্রে দাবি করা হয়েছে, প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির জন্য বর্ষা প্রয়োজন। হাওয়া অফিসের এক সিনিয়র আধিকারিক আশঙ্কা প্রকাশ করে জানিয়েছেন, প্রত্যাশিতভাবে বর্ষা হচ্ছে না। অথচ ভারতে জলাধারগুলি ভর্তি করার জন্য প্রধান ভূমিকা নেয় বর্ষা।

এর আগে ২০০৫ সাল নাগাদও এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সেই বছরের অগাস্টে সবথেকে কম বৃষ্টিপাত হয়েছিল। এবার আরও কম। যা অস্বাভাবিক বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ভারতের আবহাওয়ার উপর প্রভাব ফেলতে শুরু করে দিয়েছে এল নিনো– এমনটাই মনে করছেন তারা। কিন্তু প্রশ্ন হল, এখন সমাধান কী? এই ভয়াবহ সঙ্কটের আশঙ্কা থেকে কীভাবে মুক্তি অয়াবে ভারতবাসী? যদিও সেই প্রশ্নের উত্তর বিশ বাঁও জলে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Recent Comments