Thursday, January 15, 2026
Homeরাজনীতিশাহের জরুরি তলবে দিল্লি যাচ্ছেন দিলীপ। বৃহস্পতি সন্ধ্যার বৈঠকে কি তবে দিলীপ...

শাহের জরুরি তলবে দিল্লি যাচ্ছেন দিলীপ। বৃহস্পতি সন্ধ্যার বৈঠকে কি তবে দিলীপ ঘোষের মানভঞ্জন করতে চাইছেন অমিত শাহ ? লক্ষ্মীবারে লক্ষ্মীলাভ হবে কি?

কয়েকদিন আগে সল্টলেকের পদ্মশিবিরের অফিসে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন দলেরই কর্মী সমর্থকরা৷ মাঝেমধ্যে শুভেন্দু বনাম দিলীপের দ্বন্দ্বের অভিযোগ নিয়েও তোলপাড় হয়েছে বঙ্গ রাজনীতি৷ এরই মধ্যে বিজেপির পদ থেকেও সরানো হয়েছে দিলীপ ঘোষকে। এখন তা নিয়েই রাজ্য রাজনীতির অন্দরে কানাঘুষো নানা কথা শোনা যাচ্ছে। বেফাঁস মন্তব্যও করে ফেলেছেন কয়েকদিন আগে। দলের কাজকর্ম থেকেও নাকি সরে যাচ্ছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। আর এই আবহে জরুরি তলব কেন্দ্র বিজেপির চাণক্য অমিত শাহের। ঘোষের মানভঞ্জনের জন্যই কি দিল্লিতে ডাক পড়ল? বৃহস্পতিবারে কি মানভঞ্জন বৈঠকই হবে শাহ-দিলীপের?

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, একদিন আগে অর্থাৎ বুধবার রাতে বঙ্গ বিজেপি নেতা তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষের কাছে ফোন এসেছিল কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের। আর তারপরই তড়িঘড়ি দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কথা ঘোষের৷ সংবাদসূত্রে দাবি করা হয়েছে বৃহস্পতিবার ৩:১৫-এর বিমানে দিল্লি যাবেন বিজেপি নেতা। এদিন সন্ধ্যাতেই হতে পারে বৈঠক। নিজের বাসভবনে দিলীপের সঙ্গে বৈঠকে কি আলোচনা হতে পারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর? তা নিয়ে চলছে জল্পনা। কারণ দিলীপ ঘোষকে জরুরি তলব করা হলেও এদিন শাহের ডাক পাননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

মেদিনীপুরের সাংসদ ছাড়া এই মুহূর্তে বিজেপির দলীয় কোনও পদে নেই দিলীপ ঘোষ। ২৯ জুলাইয়ের পর থেকে রাজনীতির মঞ্চে সেভাবে দেখাও যাচ্ছে না। এমনিতেই দিলীপের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করে দলকে বেকায়দায় ফেলার পুরনো অভিযোগ রয়েছে। সেই নিয়ে সাবধানও করা হয়েছিল ওই বিজেপি নেতাকে। কিন্তু সোজা কথা সোজা ভাবে বলতেই পছন্দ করেন বলে নিজে জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। বেফাঁস মন্তব্যই কি কাল হয়েছিল? সেই কারণেই কি পদ হারাতে হয়েছিল দিলীপকে? এই নিয়ে চর্চার মাঝে এই তত্ত্বও উঠে আসছিল যে, দিলীপকে অন্য কোনও গুরু দায়িত্ব দিতে পারে কেন্দ্র নেতৃত্ব। সেই কারণেই কি বৃহস্পতিবার জরুরি তলব করা হল তাকে? লক্ষ্মীবারে কি লক্ষ্মীলাভ হবে ঘোষের?

কয়েকদিন আগেই রাজ্যে এসেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা। বঙ্গ সফরে দিলীপের সঙ্গে নাড্ডার দেখাও হয়েছে। যদিও আলাদা করে কোনও বৈঠক তাদের মধ্যে হয়নি বলেই সূত্রের খবর। কোর কমিটির বৈঠক এবং সাংসদ, বিধায়কদের সঙ্গে নড্ডার বৈঠকে দলের নেতা হিসেবেই উপস্থিত ছিলেন ঘোষ। সাংগঠনিক বৈঠকে সেভাবে জোরালো কোনও বক্তব্যও রাখতে দেখা যায়নি তাকে। কেন্দ্রীয় বিজেপির তরফে আনুষ্ঠানিক ভাবে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর খোদ দিলীপ বলেছিলেন, লোকসভা নির্বাচনের আগে দলের সাংসদরা যাতে নিজের নিজের এলাকায় বেশি করে সময় দিতে পারেন, তাই সাংগঠনিক পদ থেকে সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। যদিও নয়া সাংগঠনিক কমিটিতে সাংসদদেরও দেখা গেছে পরে। সব মিলিয়ে তাহলে কি অভিমান হয়েছে দিলীপের? আর তা বুঝেই কি শাহ ডাকলেন? কেন বৃহস্পতিবার তলব করা হল দিলীপকে, তা এখনও অধরা৷ তবে বিভিন্ন বিষয় অনুমান করা হচ্ছে দলের তৃণমূল স্তরের তরফেও।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Recent Comments